Monday, February 12, 2018

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে ৩৮ থেকে ৪০ টি লোকসভা আসন জিততে পারে। এমনকি লোকসভা ভোটে মমতার পাশেই মোর্চা, পাহাড়ে বিপাকে বিজেপি। In presence situation Trinamool Congress is all set to win 38 to 40 seats from Bengal alone. Even Gorkha Janamukti Party (GJM) ‘s present leadership also willing to support Mamata Banerjee. Now it is not far when everyone will say ”Mamata for PM”.


আশাকরি আমাদের পাঠক পাঠিকারা ইতিমধ্যেই আমাদের পূর্ববর্তী নিবন্ধে পরেছেন যে বিজেপী ও সিপিএম বর্তমানে ক্রন্দনরত কারন পাহাড় আবার হাসছে।

Link:

আমরা আগেই লিখেছিলাম যে দার্জিলিং-এ চিত্তরন্ঞ্জন দাসের গন্ধ আছে, রবীন্দ্রনাথের ছন্দ আছে, সুভাষ বোসের অনুভব আছে, ভগিনী নিবেদিতার শেষ পদচিহ্ন আছে, সেই দার্জিলিং বাঙালি কিংবা গোর্খার হতে পারেনা। দার্জিলিং 'বাংলার' হৃৎপিন্ড।


সেই পাহাড়েই দীর্ঘকাল পর আমরা সম্ভবত পশ্চিমবাংলার মুলস্রোতের রাজনৈতিক দলের কাউকে লোকসভায় সাংসদ হিসেবে পেতে চলেছি। ইতিমধ্যেই আমরা রাজ্যসভায় শ্রীমতী শান্তা ছেত্রি কে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সাংসদ হিসেবে পেয়েছি। বর্তমান পরিস্তিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পাহাড়ে যাওয়ার পর তৃণমূলের পাহাড় থেকে আরেকটি সংসদীয় আসন পাওয়ার সম্ভবনা অনেক বেশি হয়ে উঠেছে ।
 
কয়েকমাস পূর্বে এই মা মাটি মানুষ ব্লগ ই আপনাদের প্রথম জানিয়েছিল যে গোর্খাল্যান্ড একটি পুরাতন ভারতবিরোধী চীন ও নেপাল (কমিউনিস্ট-মাওবাদী) যৌথ পরিকল্পনা এবং এটি ভারতের নিরাপত্তার জন্য বিপদ। কারণ এটি সিকিমসহ বৃহত্তর নেপালের দিকে একটি প্রথম পদক্ষেপ।

ভারত সরকার এবং বিশেষভাবে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি জাতীয় স্বার্থ কে অগ্রাধিকার দিতে হবে একটি বা দুটি লোকসভা আসন এর চেয়ে।
Link

আপনারা নিশ্চয়ই জানেন যে এই ব্লগের লেখার পর প্রায় একি কথা রাজ্য সরকার ও গোয়েন্দা বিভাগ বলেছিলেন। তারপর আদালতেও এই মত জানান হয়েছিল।  

বিজেপি জাতীয় স্বার্থ কে না বুঝলেও অন্যান্য অনেকেই এখন আসল বিষয় বুঝতে পেরেছেন।  

পাহাড়ের নয়া সমীকরণে দার্জিলিং লোকসভা আসনের রাজনৈতিক চরিত্র অনেক বদলে গেল। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সমর্থন পাশে নিয়ে গতবার দার্জিলিং জিতেছিলেন বিজেপির সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। কিন্তু বিমল গুরুং, রোশন গিরিদের ভুল রাজনীতি এবং পাহাড় থেকে পলায়ন বদলে দিয়েছে মোর্চার সংসার। এখন দলের রাশ বিনয় তামাং, অনিত থাপাদের হাতে। বিজেপির প্রতি তাঁদের কোনও দায়বদ্ধতাই নেই। বরং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শান্তির স্লোগানে তাঁরা শামিল। মুখে কেন্দ্র বিরোধী জেহাদ। গোর্খাল্যান্ড যে রাজ্য সরকারের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়, তা অনুধাবন করে ফের জিটিএর কাজে মনোনিবেশ করেছেন বিনয়রা। অনিশ্চয়তা, বনধ, বোমা, গুলি বন্ধ হওয়ায় পাহাড়ের সাধারণ মানুষ কতটা খুশি তা মুখ্যমন্ত্রীর পাহাড় সফরে স্পষ্ট। স্বভাবতই আগামী লোকসভা ভোটে নাটকীয় কিছু না ঘটলে দার্জিলিং আসন বিজেপির পক্ষে জেতা খুব কঠিন।

গতবার সমতল থেকে তৃণমূলের বাইচুং ভুটিয়া এগিয়ে থাকলেও পাহাড়ের বিজেপির পক্ষে মোর্চার বিপুল ভোট আালুওয়ালিয়াকে বড় ব্যবধানে জিতিয়ে দেয়। পাহাড়ে তিন আসন পায় মোর্চা। সমতলের চারটির একটিও বিজেপি পায়নি।


বস্তুত, ভোট এক বছর বাকি থাকলেও দিল্লি দখলের যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে। মমতা বনাম মোদির লড়াইও বাংলার রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ নেই। বিরোধীদের গ্রহণযোগ্য নেতা কে? সেই প্রশ্নে মমতাকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করতে উদ্যোগী অনেকেই। গুজরাতের পাতিদার আন্দোলনের যুব নেতা নেতা হার্দিক প্যাটেল কলকাতায় এসে যেভাবে এই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী পদে একমাত্র যোগ্য মুখ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলে যুক্তি দিয়েছেন তা খুবই অর্থবহ। তাঁর গুরুত্ব কতটা তা মমতাও বোঝেন। তাঁর লক্ষ্য লোকসভায় আসন বাড়ানো। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে গতবার ৩৪টি তৃণমূল পেয়েছিল। এবার এ রাজ্য থেকে আরও বেশি আসন জিততে তারা প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

কেবল দার্জিলিং ই নয় বিজেপি এবার আসানসোল আসনটিও হারতে চলেছে।

৩৬ টি আসনে তৃণমূল ভালভাবেই এগিয়ে ৫ টি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লরাই হবে এবং একটি আসনে বিরোধীরা কিছুটা এগিয়ে।


তাই আমাদের সমীক্ষামতে এবারে বাংলা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস একার শক্তিতেই ৩৮ থেকে ৪০টি আসন পেতে চলেছে।


Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post. Thanks & Vande Mataram!! Saroop Chattopadhyay.

No comments:

Post a Comment