Friday, January 22, 2021

সমস্ত মুসলিম ভোট আর তৃণমূলের সঙ্গে নেই। মাননীয়া... #আপনি_হিন্দুদেরকেও_ঠকিয়েছেন #আপনি_মুসলিমদেরকেও_ঠকিয়েছেন


৩০% থাকবে তো⁉️

#সংখ্যাটা ৩০%❗এই একটা শতাংশই #ক্রমশ_অহংকারী করে তুলেছে কালীঘাটকে। বামফ্রন্টের বঞ্চনার জবাব দিতে যে #মুসলমান_সমাজ দোয়ায় ইয়াদ করেছিলেন #তৃণমূলকে, তাঁরা কি পেলেন⁉️ #পরিবর্তনের আগে তৎকালীন #বিরোধী_নেত্রী নিয়ম করে বলতেন "ক্ষমতায় এলে #দশ_হাজার মাদ্রাসা তৈরি হবে।", ক্ষমতায় আপনি গত #সাড়ে_নবছর মাননীয়া, তার পরেও আজ মাদ্রাসা শিক্ষকদের #কফন_আন্দোলন নামক #অনশন করতে হচ্ছে নিজেদের #হক আদায়ের জন্য, এক-দু’দিন নয় #নদিন_পেরিয়ে_গেলো‼️আপনি সব জানেন, তবুও কিচ্ছুটি করছেন না। কেন⁉️ #লকডাউন চলাকালীন নবান্নের সভাঘর থেকে #সরকারি সাংবাদিক সম্মেলনে অবলীলায় বলে দিলেন আপনি ৬০০০ #কবরস্থান করেছেন‼️ হিসেব কিন্তু মিলছে না মাননীয়া‼️ ২৯৪টি কেন্দ্রে ৬০০০ কবরখানা, তাহলে #কেন্দ্রপ্রতি কতগুলো❓২০.৪০ টি‼️ একটা বিধানসভার নাম বলুন যেখানে ২০টি কবরস্থান হয়েছে⁉️ আর আপনার এই #গাল_ভরা_মিথ্যার জন্য #ফিরহাদ_হাকিম, #সৌকত_মোল্লা, #রেজ্জাক_মোল্লা, #সিদ্দিকুল্লা_চৌধুরী  এদের মতো অযোগ্য-অসভ্য-ধান্দাবাজরা শুধুমাত্র #Minority_Sentiment কে ব্যবহার করে #মগের_মুলুক চালিয়ে যাচ্ছেন, আর #বঞ্চিত_হচ্ছেন_সমগ্র
#মুসলমান_সম্প্রদায়❗




মাননীয়া, আপনি পুরোনো মুসলিমদেরও ঠকিয়েছেন, দুরে ঠেলে রেখেছেন।

উদাহরণঃ মুর্শিদাবাদ আর মালদহ বাদে আর #কোন_জেলার_সভাপতি_মুসলিম বলতে পারেন⁉️

আর মালদহ বা মুর্শিদাবাদের জেলসভাপতিরাও তো #কংগ্রেস_থেকে_হায়ার_করা‼️

কৃতজ্ঞতা #খাইরুল_চৌধুরী

Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post. Thanks & Jai Hind!! Saroop Chattopadhyay.

Tuesday, January 5, 2021

HUMAN FORM : WHAT IT IS ALL ABOUT ❓❓ (As per Hindu Philosophy)


We take BIRTH to take #pain & #suffering. Every body that is formed on earth, that is,every birth is meant to deal with 4 principles of material existence - birth, death, disease and old age. It is therefore confirmed that a soul when takes up a shape in the form of body is here to bear pain and suffering. Out of it, it is our duty to search for happiness in the little things we have or is given by the Lord. It remains our responsibility to create happy moments and to understand what is really important to us, what is our goal in life, why we r here, what should be our priority and what we should avoid.

WE, HUMANS are infected with 4 defects as said in the Bhagavad Gita 📙 by Sri Krishna ~
1) we r sure to commit mistakes
2) we are invariably illusioned,i.e, we r in grip of maya
3) we humans have the tendency to cheat others
4) we are limited by imperfect senses,i.e, our senses do not work properly in the right direction, it many a times misguides us

Hence to make our Human Life perfect, happier and much peaceful we must get rid of certain elements/habits/addictions/thinking to achieve happiness that is eternal, that is much satisfying and removes all disappointment regarding material life,its desires, its fulfilment.


To know how to make our life more satisfying, Bhagwan Sri Krishna has given us certain principles in the GITA pertaining to everyday life, which is very useful in today's world. Hence, study the Gita to attain a more peaceful meaningful life and to go back to Godhead, to the Spiritual Sky, GOLOKA VRINDAVAN and never to take birth in this world to suffer pain and injustice once again.

HARE KRISHNA 💙💚🙏🙏

Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post. 
 Thanks & Jai Hind!! Saroop Chattopadhyay.

Friday, September 25, 2020

ক্লাবকে টাকা দান, পুজো কমিটিকে অর্থ, ইমাম ও পুরোহিত ভাতা, মাদ্রাসায় টাকা, সংখ্যালঘুদের প্রকল্প.. এগুলো তো উন্নয়ন নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর সরকার কি চায়না রাজ্যবাসী আত্মনির্ভর হোক??

সদ্যই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ঘোষনা করা হয়েছে এ’বছর দূর্গা পুজো কমিটিগুলোকে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ৫০ হাজার টাকা স্বল্প দান দেবে। আর তারপরেই একদল হঠাৎ করেই মাননীয়ার দান ধ্যানের তুলনা হয়না, ধর্ম যার যার উৎসব সবার এর বালখিল্যপনা শুরু করে দিয়েছেন। তাঁদের উদ্দ্যেশ্যে দু’টো পরিসংখ্যান আর কয়েকটা প্রশ্ন রাখতে চাই।

না, উভয়ক্ষেত্রে সমবন্টন কেন হবেনা জাতীয় সাম্প্রদায়িক প্রশ্ন করে আপনাদের বিব্রত করবোনা। সম্প্রীতি বড় বালাই। বুকে আগলে রাখুন। প্রশ্নটা অন্য জায়গায়। দু’টো ঘোষনার সময়কাল নিয়ে (সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের তারিখগুলো দেখে নিন চট করে এই ফাঁকে একবার)।

কোভিড এবং আম্ফান পরিস্থিতিতে ত্রাণ তহবিল গঠনে রাজ্য সরকারের অর্থাভাব এবং কেন্দ্রের বঞ্চনার কারনে রাজ্যের অসহায়তার কথা নিয়মিত সাংবাদিক সম্মেলন করে মাননীয়া জানিয়েছেন। ওনার দলের কর্মীরাও সামাজিক মাধ্যম এবং পথে ঘাটে সেটার বহুল প্রচার করেছেন।

প্রশ্ন হল, তাহলে এরকম পরিস্থিতিতে বিশেষ ধর্মীয় গোষ্ঠীর জন্য ৪ হাজার কোটি টাকার তহবিলের অর্থ বরাদ্দ কিভাবে হল? কেন্দ্র টাকা দিয়েছিল?
যদি না দিয়ে থাকে তাহলে অর্থাভাবের কারনে কোভিড এবং আম্ফান পরিস্থিতিতে ত্রাণ তহবিল গঠনে রাজ্য সরকারের অসহায়তার কথা কতটা সত্যি আর কতটা সদিচ্ছার অভাব?

মহামারীর সময়ে জনগণের প্রদেয় করের অর্থ সামগ্রিক রাজ্যবাসীর উন্নয়ন এবং প্রয়োজনের খাতিরে ব্যবহার না করে নির্দিষ্ট একটি জনগোষ্ঠীর স্বার্থে ব্যবহার করা কতটা যুক্তিযুক্ত?

মাঝেরহাট ব্রীজ/টালা ব্রীজ এর কাজ শম্বুক গতিতে চলছে। জেলার অনেকগুলি রাস্তার হালই বেহাল। টানা লকডাউনের ফলে অর্থনীতির অবস্থাও তথৈবচ। পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি।।


পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরাতে টাকা ছিলনা, তাদের পুনর্বাসন ও হল না।
করোনার মোকাবিলায় উপযুক্ত স্বাস্থ পরিসেবা দেওয়ার জন্য অর্থাভাব।
সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের কিট দেওয়ার অর্থ নেই।।

রাজকোষে কি অর্থ উদ্বৃত্ত? যদি না হয় তাহলে পুজো কমিটিগুলোকে স্বল্প দান দেওয়ার নামে জনগণের প্রদেয় করের অর্থ এভাবে ব্যয় করার যুক্তি কি? যে উন্নয়নমূলক কাজগুলোর প্রায়রিটি বেশী সেগুলোতে অর্থ বরাদ্দ করাটা বেশি প্রয়োজনীয় ছিল না কি? আবার সেই একই প্রশ্ন, এরকম কঠিন সময়ে, যখন বেকারত্বের চাপে, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির চাপে সাধারন মানুষ নাজেহাল তখন জনগণের প্রদেয় করের অর্থ সামগ্রিক রাজ্যবাসীর উন্নয়ন এবং প্রয়োজনের খাতিরে ব্যবহার না করে নির্দিষ্ট একটি জনগোষ্ঠীর স্বার্থে ব্যবহার করা কতটা যুক্তিযুক্ত?

রাজনৈতিক কচকচানি সরিয়ে রেখে একজন রাজ্যবাসী হিসেবে চিন্তা করুন। সস্তার জনমোহিনী ঘোষনা শুনে উদ্বেল হয়ে ওঠার আগে একবার ভেবে দেখুন, সামগ্রিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন পূরণ করাটাই কি সরকারের প্রায়রিটি হওয়া উচিৎ ছিল না?
মাননীয়ার সরকার কি চায়না রাজ্যবাসী আত্মনির্ভর হোক নাকি বিভিন্ন খয়রাতির নামে রাজ্যবাসীকে আজীবন মুখাপেক্ষি করে রাখাই রাজ্য সরকারের উদ্দ্যেশ্য? ভাবুন।
            ---------------------

লেখা: শ্রীযুক্ত পিনাকী মুখার্জী।
এডিট ও সংযোজন: স্বরূপ চট্টোপাধ্যায়।

Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post. 
 Thanks & Jai Hind 🇮🇳!! Saroop Chattopadhyay.

Tuesday, September 22, 2020

পুরোহিত ভাতা Vs ইমাম ভাতা: কিছু বিশ্লেষণ ও তৃণমূলের মেকি হিন্দুপ্রেমের মুখোশ উন্মোচন।

প্রথমেই বলি একটা কথা কিছুদিন উঠেই চাপা পড়ে গেলো কেন অনেকেই বুঝলেন না!! কথাটা হল পুরোহিতদের ভাতা, এটা নিয়ে সেভাবে কথা বলতে কাউকেই দেখিনি। হ্যা মনে যারা বলেছে তারা বলেছে কিন্তু এখানে ইমাম ভাতা নিয়ে অনেক কিছু লেখা হচ্ছে। তার পেছনে নিশ্চই কারণ আছে।

কারণটা হলো তৃণমোল্লার sorry তৃণমূলের হিন্দুপ্রেম লোক দেখানো আর এটা মুসলিম তোষণকে আড়াল করার জন্য "শাক দিয়ে মাছ ঢাকা" এর মত একটা প্রচেষ্টা।

যাই হোক "ক্ষমতা চেঁচাচ্ছি" 2013 থেকে সম্ভবত এই স্কিম চালু করেন
যদিও প্রথমে 10000 করে টাকা দেওয়ার কথা ওঠে, তবে 2500 এই শেষে রফা দফা হয়, সেই সময় প্রায় 70000 ইমাম বাংলায় পড়াতেন।
যদিও সবাই এর জন্য apply করেননি, একটা এস্টিমেট করলে বোঝা যাবে যে প্রায় 30000 ইমাম এই স্কিম থেকে সুবিধে পাচ্ছে।
আর হ্যা এটা প্রায় 6 বছর পরিয়ে গেছে।
নিজেই যোগ গুন করে কত টাকা হচ্ছে বের করুন।

সেই সময় প্রায় 22 কোটি টাকা কোষাগার থেকে বের করা হয় এই কাজের জন্য। পরে আরও অনেক।
আর সব থেকে অবাক করার কথা হলো এই স্কিমকে সেই সময় মহামান্য কলকাতা হাইকোর্ট অসংবিধানিক বলে ঘোষনা করে।
তবু আটকানো যায়নি।।

আচ্ছা এছাড়া 16000 মাদ্রাসাকে চিহ্নিত করা হবে ইসলাম ধর্ম পড়ানোর জন্য।
যদিও মাদ্রাসায় মূলত ইসলাম পোড়ানো হয় বলেই জানি, তবু সরকার যে এক্সট্রা জোর দিতে চায় এটার পেছনে সেটাই বলার।
যাই হোক ওই 30000 ইমাম ছাড়াও যারা নরমাল মসজিদ এ নামাজ পড়ান তারাও এই স্কিম এ apply করতে পেরেছিলেন।

আচ্ছা হ্যাঁ, এটাও বলে রাখি পুরোহিত স্কিম এ এটা বলা হয়েছে "POOR SANATANI PRIEST" মনে গরিব হতে হবে, যেখানে ইমাম ভাতায় শুধু ইমাম হলেই চলবে।
তাহলে এই ভেদাভেদ কেন?
ইমাম ভাতা মাসিক ২৫০০ টাকা করে সব ইমামদের জন্য (৩০০০০) হলে পুরোহিত ভাতা ১০০০ টাকা করে শুধুমাত্র গরীব সনাতনী ৮০০০ পুরোহিতের জন্য কেন?
এ ছাড়া হজ হাউস বানানো তো হয়েছে যার মূল্য শোনা কোথায় প্রায় 100 কোটি টাকা।
শুধু ইফতার পার্টিতে দিদি ৬৬ কোটি খরচ করেন কিন্তু দুর্গা পূজার অনুদান মাত্র ২৮ কোটি টাকা।

১)ইমাম-মোয়াজ্জেম ভাতা ২০১২ সালের এপ্রিল মাস থেকে চলছে অর্থাৎ ৮ বছরের ওপর।

২)প্রায় ৩০,০০০ ইমাম ২৫০০/- করে আর প্রায় ২০,০০০ মোয়াজ্জেম ১৫০০/- করে পাচ্ছে।

৩)তৃণমূল সরকার সরাসরি DM/BDO -র মাধ্যমে এই ভাতা দিচ্ছিল।বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের করা PIL এ সরকার হাইকোর্টে হেরে যায়।

তখন সরকার ঘুরপথে সংখ্যালঘু উন্নয়ন বাজেটে এই টাকাটা যোগ করে ওয়াকফ বোর্ডকে দিতে শুরু করে এবং ওয়াকফ বোর্ড এই টাকা ইমাম-মোয়াজ্জেমদের মধ্যে বিতরণ করতে থাকে। 

৪)এই খাতে সরকারের বাৎসরিক খরচ ১২৬ কোটি টাকা। 

৫)৮ বছরে এই খাতে এখন অবধি মোট ১০০৮ কোটি জনগনের করের টাকা খরচ হয়ে গেছে।

৬)৮০০০ জন হিন্দু ব্রাহ্মণ পুরোহিতের মাসিক ১০০০ টাকা হিসেবে সরকারের মোট খরচ হতে পারে ৬ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। হিসেবটা অক্টোবর থেকে মে অবধি কারণ ঘোষণাটা সেপ্টেম্বরে হয়েছে আর বর্তমান সরকারের মেয়াদ মে মাস পর্যন্ত। 

৭)কাজেই ১০০৮ কোটি বনাম ৬.৪০ কোটির মধ্যে যতটা তফাত, ততটাই তফাত মুসলিম তোষণ আর ভোটের মুখে হিন্দু তাস খেলার প্রচেষ্টার মধ্যে।পুরোটাই ছলনাময়ীর বাগাড়ম্বর। 

৮)অতীত অভিজ্ঞতা থেকে ছলনাময়ী খুব ভাল করেই জানে এই পুরোহিত ভাতা ঘোষণার বিরুদ্ধেও কোনো PIL হবে এবং ভাতাপ্রদানের প্রক্রিয়া আটকে যাবে।

৯)আসল ট্যুইস্ট এখানেই।মুসলিমদের যেমন একত্রীভূত অভিভাবক ওয়াকফ বোর্ড, হিন্দুদের তেমন কোনো একত্রীভূত সংস্থা-সংগঠন নেই।দেবোত্তর ট্রাস্ট আছে কিন্তু সেগুলোও Unified under 1 umbrella নয়।তখন ছলনাময়ী আবার কাঁদুনি গাইবেন “আমি তো দিতেই চাই।আইনে আটকে গেলেও আমার দোষ?”

১০)অতএব, গত ৮ বছর ধরে এই ভাতাপ্রদানের নামে যে নির্লজ্জ তোষণ ও জনগনের করের টাকার নয়ছয় চলছে যেভাবে, নির্বাচনের প্রাক্কালে পুরোহিত ভাতার ঘোষণা নিতান্তই হিন্দুদের জন্য কুম্ভীরাশ্রুমোচন এবং হিন্দুদরদী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার মরীয়া ও হাস্যকর প্রচেষ্টা।


কিছুদিন আগে পুরোহিত ভাতার RSS এর তরফ থেকে বিরোধিতা করায় RSS তথা বিজেপি কে মুলি + মোল্লারা হিন্দুবিরোধী বলছে দেখলাম। দেখেও হাসি পাচ্ছে, যে এখন মোল্লাদের কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিতে হবে কে হিন্দু প্রেমী কে হিন্দু বিরোধী
যেমন বছর খানেক আগে ফুরফুরা শরীফ থেকে এটা ঠিক করা হচ্ছিল রাম আমাদের ভগবান না, এটা মা কালির ভূমি আরো এরম কত নাটক দেখতে হবে কে জানে।।

আর 100 কোটির হজ হাউস তো সরকারেরই বানানো তাও আবার HIDCO এর জমির ওপর, HIDCO হলো বাংলার সরকারি কোম্পানি ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট এর জন্য।

তার মনে এই যে যেই টাকায় ইমামদের ভাতা, মসজিদ নির্মাণে সহায়তা, তথা হজ হাউস (মেদিনাতুল হাজ্জাজ) ইত্যাদি কাজে ব্যয় করা হয় সেটি সরকারি ট্যাক্স এর টাকা এবং এর মধ্যে হিন্দু মন্দির এর টাকাও উপস্থিত আছে।

কিন্তু যেহুতু ওয়াকফ বোর্ড এর নিচেই সব মসজিদ পড়ে তাই মসজিদ এর সব টাকা যায় এভাবেই বার বার হিন্দুদের বোকা বানানো হয়।
আচ্ছা দেখা যাক এখন পুরোহিত এর দিকটা:
1000 করে 8000 জন, যেটা টাকার দিক থেকেও এবং জনসংখ্যার দিক থেকেও কম (2500 আর 30000 এর তুলনায় + 16000 মাদ্রাসা তে ইসলাম পড়ানোর এর ব্যাপার টা)
আর তার চেয়েও বড় কথা এটা শুরু হচ্ছে 2020 থেকে যেখানে ইমাম পাচ্ছে 2013 থেকে প্রায় 6 বছরে অঢেল টাকা ঢালা হয়েছে ইমাম মোয়াজ্জেম দের পেছনে, আজ যদি 6 বছর পর পুরোহিত কে টাকা দেওয়ার বাই উঠলো তাহলে এই 2500×12×7=210000 এর হিসেব কিভাবে এক করা হবে
কারণ এমনিতেই 2500 এর থেকে 1000 কম তার ওপর ওই 2500 প্রায় 7 বছর ধরে দেওয়া হয়েছে তাই কিভাবে মূর্খমন্ত্রী কিভাবে মিলাবেন অঙ্ক টা সেটাই দেখার, যদি না মেলাতে পারেন ওই 1000 এর ভিক্ষার দরকার নেই কারো।

আচ্ছা এছাড়া বাংলা আবাস যোজনা এর অন্তর্গত সব গরিব পুরোহিত কে ঘর দেওয়া হবে,
প্রথমত বাংলা আবাস যোজনা তো ইন্দিরা আবাস যোজনার rebranded version তাহলে এতে মূর্খমন্ত্রী কি সাহায্য করছে বুঝলাম না!!
মনে কোনো পুরোহিত যদি ঘর পায় IAY তে তাহলে তো তার জন্য প্রধানমন্ত্রী কে ধন্যবাদ দেওয়ার কথা মূর্খমন্ত্রী কে তো নয় নিশ্চই।।

আচ্ছা এটাও বলে রাখি এই lockdown এ প্রায় 200000 পুরোহিত কাজ হারিয়েছে, যেখানে ইমাম কিন্তু মাসে মাসে ভাতা ঠিক পাচ্ছে।
তাহলে 200000 এর জায়গায় 8000 কেন?
ক্ষমা করবেন মূর্খমন্ত্রী আপনার স্কিম মাথায় ঢুকছেনা।

সত্যি বলতে কি আমি চাইনা কেউই টাকা পাক  না ইমাম না পুরোহিত
আমি এটাও চাই যে মন্দির কে সরকারের হাত থেকে বের করা হোক তথা একটি বাংলা কেন্দ্রীয় স্বাধীন সংস্থা "Bengal Mandir Committee" 

Type এর কিছু গঠন করে বাংলার প্রতিটি মন্দির দেখাশোনা করা হোক।

তথা মন্দির এর প্রনামির টাকা গরিব হিন্দুর স্বার্থে লাগানো হোক, ও মন্দির নির্মাণ, ভগবৎ পাঠ, তথা আরো ধর্মীয় শিক্ষার পেছনে লাগানো হোক।
আর এই মন্দির কমিটিই হবে বাংলার হিন্দু জাগরণ এর কেন্দ্র।
আমি চাইনা আমার মন্দির এ দেওয়া একটা টাকাও যেন কোনো মোল্লা/ইমাম পাক।
আমার প্রনামির টাকা মন্দির তথা হিন্দুর স্বার্থে, এখানে মুসলিম এর প্রতি ঘৃণা নেই শুধু হিন্দু একতার ভালোবাসা আছে।

Note:
নিউজ সোর্স : livemint, TOI, ইত্যাদি।
লেখা টুইটার থেকে by "Big Smoke" @AdvocadoJi & "Joyride" @AMLAN_KOLKATA 
Edited and some points added by me.

ভালো লাগলে শেয়ার করুন, ভালো থাকবেন সবাই।

Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post.
 Thanks & Jai Hind 🇮🇳!! Saroop Chattopadhyay.

Sunday, September 20, 2020

"তোমার দুর্গা ও আমার দুর্গা" ~ স্বরূপ চট্টোপাধ্যায়


তোমার দুর্গা নীরবে বসে আজান শুনে যায়,
আমার দুর্গা দিন গোনে চন্ডীপাঠের অপেক্ষায়।।

তোমার দুর্গা দুঃখীর অন্ন চুরি করে খায়,
আমার দুর্গা দুঃখীর দুঃখে অশ্রু ঝরায়।।

তোমার দুর্গার দু নয়নে শুধুই গরিবের রক্ত দেখা,
আমার দুর্গার দুহাত দুষ্ট দমনের রক্তে মাখা।।


তোমার দুর্গা জনগণের থেকে কাটমানি খায়,
আমার দুর্গা মাতৃপ্রেমে অন্ন বিলয়।।

তোমার দুর্গা মানুষ মেরে গাছে টাঙিয়ে রাখে,
আমার দুর্গা আঁচল দিয়ে মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে।।

তোমার দুর্গা শুধুই গোল্লা কেটে যায়,
আমার দুর্গা সাড়া দেয় মানুষের প্রার্থনায়।।

তোমার দুর্গা আঁকশি দিয়ে লাশ টানায়,
আমার দুর্গা দুহাতে দুঃখীর চোখের জল মোছায়।।

 ~ স্বরূপ চট্টোপাধ্যায় 
   20/09/2020

Edited on 17th Oct'20
এর সঙ্গে শ্রী অমিত গাঙ্গুলীর ৪টি লাইন যোগ করে দেওয়ার লোভ সামলাতে পারলাম না, ফেসবুক এ ও কাটমানি + চপশিল্প দলের চ্যংড়া মুখপাত্রকে এত সুন্দর উত্তর দিয়েছে যে আমি মুগ্ধ হয়ে গেছি।
ও লিখেছে:
আমার দুর্গা একটাই তাকে দশভূজা বলে জানি, 
মানুষকে মানুষ বলুন কোন ভগবান নন তিনি।।
পুরো পোস্ট ও কমেন্টটি নিচে রইল।


Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post.   
Thanks & Vande Mataram!! Saroop Chattopadhyay.

"তাজিয়া ও মা দুর্গা" A BENGALI POEM UNMASKING TRUTH OF SECULARISM IN BENGAL


তাজিয়া যাবে, 
দূর্গা তুমি সরে দাঁড়াও ,
পুজোমণ্ডপে আজান কিন্তু মসজিদে চণ্ডীপাঠ ভুলেও নয়??



ভোট এলে 
তুমিই আবার হিন্দু জাগাও।

চেলোনা এমন ইবলিশী চাল,
ক্লান্ত আমি বুকের ব্যাথায় 
শক্ত চোয়াল,তিলক মাথায় 
ভোট বাক্সে জনগন খিচবে তোমার খাল...
✊জয় মা দূর্গা দুর্গতিনাশিনী🙏

From Twitter.

Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post.
 Thanks & Vande Mataram!!
 Saroop Chattopadhyay.

Thursday, September 17, 2020

শুভ মহালয়া কথাটি ভুল, আজ সর্বপিতৃ অমাবস্যা। কোন আনন্দের দিন নয়।

আজ শুভ মহালয়া নয়। আজ 'সর্বপিতৃ অমাবস্যা'।

কোন কোন লোকজন শুভ মহালয়া বলছে তাদের কোন এক নদীর ধারে বসিয়ে খুর দিয়ে মাথা কামিয়ে মাথায় টুপি পড়িয়ে ছেড়ে দেওয়া হোক। মানুষের ন্যুনতম সাধারণ জ্ঞান বা নিজের ধর্মীয় আচার আচরণের সম্পর্কে জ্ঞান থাকে।

 আজ অমাবস্যা। পিতৃ পক্ষের শেষ দিন। পিতৃ অর্থে এখানে পূর্বপুরুষ। এক পক্ষকাল যাবৎ প্রতিদিন পিতৃ পুরুষের শ্রাদ্ধ হয়। আমাদের নিয়ম অনুযায়ী তিথিতে শ্রাদ্ধ হয় অর্থাৎ যে সপ্তমীতে মারা গেছে তার সপ্তমীতে, যে অষ্টমীতে শ্রাদ্ধ হয়।
 কিন্তু সব পূর্বপুরুষের তিথি জানা এবং সব দিনগুলোয় শ্রাদ্ধ করা সম্ভব নয় বলে অমাবস্যার দিন সবার জন্য শ্রাদ্ধ করা যায়। শ্রাদ্ধ মানে তর্পণ। পূর্বপুরুষের আত্মার উদ্দেশ্যে জল আর খাদ্যদ্রব্য নিবেদন করা হয় বা তর্পণ করা হয়। এই পুরো পিতৃ পক্ষ অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়। কোন শুভ কাজ করতে নেই। আর আজ 'সর্বপিতৃ অমাবস্যা'। আজ সব পিতৃপুরুষের শ্রাদ্ধ করা যায়। আজ কাউকে শুভেচ্ছা জানানো বা শুভ মহালয়া বলা সম্ভব?


 আজ দেবী দুর্গার আবাহনও হয় না। আমরা যেটা এত বছর ধরে রেডিওতে শুনছি সেটা চণ্ডীপাঠের অংশ। আগামীকাল প্রতিপদ থেকে শুরু হবে দেবী পক্ষ। দেবীর আবাহন কাল হওয়া উচিত। 

নব রাত্রি 
যারা পালন করে তারা সবাই প্রতিপদের দিন ভোরে দেবীর আবাহন করে ঘট স্থাপনা করে। আমি প্রথম বছর নবরাত্রি করার সময় মহালয়ায় ঘট স্থাপনা করতে গিয়ে প্রচুর ভর্ৎসনা খেয়েছিলাম। আমাদের শেখানোই হয় না কোন রীতিনীতি। এদিকে পুজো আসছে বলে আমরা যারা লাফাচ্ছি তারা পুজোয় কি কি খাব তার পরিকল্পনা করতে শুরু করি।

 কিছু বললেই বলবে 'আমি নাস্তিক'। (প্রসঙ্গতঃ জানিয়ে রাখি আমি আবার নাস্তিক না, নেহাত ছাপোষা ধর্মভীরু মানুষ। নাস্তিক হবার মত ধৃষ্টতা ও স্পর্ধা আমার নেই।) তা নাস্তিক যে কেউ হতে পারে। সে যে কোন দিন বিরিয়ানি খেতে পারে। তার তাকে পুজো নামক নেহাত ধর্মীয় আচারের অপেক্ষা কেন করতে হয় তার এখনও বোধগম্য হল না। হিন্দু ধর্ম যে এখনও আমাদের তার অন্তর্গত রেখেছে এই আমাদের পরম সৌভাগ্য। এখনও পর্যন্ত বলে নি যে বাঙ্গালী একপ্রকার ম্লেচ্ছ। কাল মধ্য রাত থেকে যারা ইনবক্সে শুভ মহালয়া লেখা আজগুবি সব শুভেচ্ছা পাঠাচ্ছেন তাদের জন্য রইল ম্লেচ্ছ হবার শুভকামনা।
সকালে রেডিওতে মহালয়া হয় যে।
ওটা মহালয়া নয়। ওটা "মহিষাসুরমর্দিনী" নামের একটি অনুষ্ঠান। এর সঙ্গেও মহালয়া'র কোনো সম্পর্ক নেই। এই দিনে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার হয়, এই পর্যন্তই।

- তাহলে মহালয়াটা কি ?

- মহালয়া কথাটি এসেছে 'মহত্‍ আলয়' থেকে। হিন্দু ধর্মে মনে করা হয় যে পিতৃপুরুষেরা এই সময়ে পরলোক থেকে ইহলোকে আসেন জল ও পিণ্ডলাভের আশায়।প্রয়াত পিতৃপুরুষদের জল-পিণ্ড প্রদান করে তাঁদের 'তৃপ্ত' করা হয়। 

এর সঙ্গে দুর্গা পূজো নয়, মহাভারতের যোগ আছে।
 মৃত্যুর পর কর্ণের আত্মা পরলোকে গমন করলে তাঁকে খাদ্য হিসেবে স্বর্ণ ও রত্ন দেওয়া হয়েছিলো। কর্ণ এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে তাঁকে বলা হয়, তিনি সারা জীবন স্বর্ণ ও রত্ন দান করেছেন, কিন্তু প্রয়াত পিতৃগণের উদ্দেশ্যে কখনও খাদ্য বা পানীয় দান করেননি। তাই স্বর্গে খাদ্য হিসেবে তাঁকে সোনাই দেওয়া হয়েছে। বিমর্ষ কর্ণ বলেন, তাঁর পিতৃপুরুষ কারা সেটা তো তিনি মৃত্যুর মাত্র একদিন আগেই জানতে পেরেছেন। তার দোষ কোথায়! যমরাজ তখন বোঝেন, সত্যিই তো, এতে কর্ণের কোনো দোষ নেই। এই কারণে কর্ণকে পক্ষকালের জন্য ফের মর্ত্যে ফিরে পিতৃলোকের উদ্দেশ্যে অন্ন ও জল প্রদান করার অনুমতি দেওয়া হয়! এই পক্ষই পিতৃপক্ষ নামে পরিচিত হয়। 

আর সেই থেকেই হিন্দুদের মধ্যে তর্পণের প্রথা চালু হয়। 🙏
আপনার প্রিয়জনের শ্রাদ্ধের দিন কেউ যদি আপনাকে 'হ্যাপি আপনার বাপ-ঠাকুদ্দার শ্রাদ্ধ' বা 'শুভ শ্রাদ্ধ' বলে, আপনার কেমন লাগবে? 

না বুঝেই তো আমরা কতকিছু বলি। 

এই দিনটিতে কিন্তু "শুভ মহালয়া" বলা যাবে না।

#Collected

Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post. 
   Thanks & Vande Mataram!! Saroop Chattopadhyay.

Some recent posts

ভগবান রামচন্দ্র (রঘুবীর) ও ঠাকুর শ্রী রামকষ্ণ পরমহংস দেব, আর বর্তমানের সেক্যুলার (আসলে সিক কুলার) গণ।

শ্রীরামকৃষ্ণের কুলদেবতা ছিলেন ৺রঘুবীর। তিনি নিজে  দেবতার কবচ পরতেন, তাঁর পার্থিব শরীর পঞ্চভূতে লয় হওয়ার পরবর্তী সময়ে শ্রীমা সেই পবিত্র কব...