Showing posts with label West Bengal. Show all posts
Showing posts with label West Bengal. Show all posts

Wednesday, February 19, 2020

তাপস পাল ~ দাদার কীর্তিতে উত্থান ও দিদির কীর্তিতে পতন। একজন বড় মাপের অভিনেতা রাজনীতির পাঁকে ডুবে মারা গেলেন।

খুব ছোট বয়স থেকেই তাপসদার ছবি দেখে বড় হয়েছি। খুব বড় মাপের অভিনেতা ছিলেন। ওনার মৃত্যু খুবই দুঃখজনক।

রাজনীতি তে যখন খুব অল্প লোক দিদির পাশে এসেছিলেন তখন উনি পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

যদিও কিছু বিতর্কৃত মন্তব্য/ঘটনার জন্য ওনাকে যথেষ্ট অপমানিত হয়ে সরে যেতে হয়, নিজের দল ও ঠিকমত পাশে দাঁড়ায় নি ওনার, মাননীয়া ও ভুবনেশ্বর গিয়ে শুধু সুদীপ বন্দোপাধ্যায় কেই দেখে চলে এসেছিলেন, তাপস পাল কে দেখতে যাননি.. এখন অবশ্য মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করছেন।

কিন্তু বাঙালি, অভিনেতা তাপস পালকে চিরকাল মনে রাখবে।
ভগবান ওনার আত্মাকে শান্তি দিক।

তাপস পাল সম্পর্কে একটি মূল্যায়ণ ফেসবুক হতে পাওয়া:

একজন মানুষ যিনি চলচ্চিত্র জগতে এলেন, নজির গড়লেন, আপামর জনতার মনের মণিকোঠায় স্থান করে নিলেন। এক কথায় যার জন্য জীবন দিতে রাজি তার দর্শক, যাকে ভালবেসে কত রমণী হয়ত মরমে মরেছেন। 

         একজন বিখ্যাত অভিনেতা, যিনি রাজনীতি তে নামলেন, রাজনীতির ষড়যন্ত্রের চোরাবালিতে পা ফেলাটা ঠিক কতখানি বিপজ্জনক না বুঝে পা ফেলতে থাকলেন, শুরুতে সাফল্য তার বশীভূত  হলেও, তার পরেই পা গিয়ে পড়ল সেই ফাঁদে, যে মরণফাঁদ তার থেকে শুধু জীবনই কেড়ে নিলনা, কেড়ে নিল তার সকল পরিচয়- যাকে বলে আইডেন্টিটি। কেড়ে নিল তার তিল তিল করে অর্জন করা নাম যশ তার মন্ত্রমুগ্ধ Fan দের কে ও।

         তলিয়ে যেতে শুরু করলেন অতল খাদের মধ্যে, যাদের উদ্যোগ  এ খাদে পড়লেন তারা ও লেঙ্গি মেরে ভুলে গেলেন, তাঁকে দেখেও না দেখার ভান করতে লাগলেন তার পুরনো মানুষ গুলো ও। আস্তে আস্তে তিনি গিয়ে ঠেকলেন তলানিতে, যেখানে তার কখনও পৌঁছানোর কথা ছিলনা।

         মাসে মাসে ভুবনেশ্বর যেতে হল হাজিরা দিতে, আস্তে আস্তে সরে যেতে থাকল পরিবার পরিজন রা বন্ধু বান্ধব রা, শারীরিক ও মানসিক দু দিক থেকেই তখন ভেঙ্গে পড়েছেন তিনি, হয়তবা নিজেকেই দুষছেন প্রতিনিয়ত, বা বার বার মেলানোর চেষ্টা করতেন আগের মানুষ গুলো কে আর তখনকার মানুষ গুলো কে।

         মানুষের মনের সেই চিরচেনা মানুষটি হয়ে গেলেন সবার অচেনা, সবার অপ্রিয়,  সবার চেয়ে বেশি অসহায়। যার হারানোর হয়ত আর কিছুই বাকি ছিলনা।

তাই হয়তো ওনার প্রাক্তন সঙ্গী সাংসদ ড‌‌. অনুপম হাজরা মহাশয় টুইট করেছেন: "দাদার কীর্তি তে উত্থান ও দিদির কীর্তি তে পতন"।


  আপনি আমাদের ভীষণ পছন্দের একজন অভিনেতা ছিলেন, আপনার অভিনীত দাদার কীর্তি, ভালোবাসা ভালোবাসা, আশীর্বাদ অগুন্তি বার দেখেছি, নিজের অজান্তেই ভীষণ পছন্দের তালিকায় আপনি পৌঁছে গেছিলেন একদিন , আর আপনার ওই একটি বিতর্কিত মন্তব্যই এক লহমায় একদিন এই মন থেকেই হারিয়েও দিয়ে ছিল আপনাকে , কিন্তু আজ মনেহল সত্যিই হয়ত শিল্পীরা কখনও হারিয়ে যায় না।

           আজ তিনি নেই, শুধু প্রার্থনা করি সবার মনে ওনার সেই ভালোলাগার দিন গুলো বেঁচে থাকুক, যে ভালো লাগা তাপস পাল কে তাপস পাল করে তুলেছিল একদিন। অভিনেতা তাপস পাল বেঁচে থাকুক হারিয়ে যাক অপর সত্তা টি। যেখানেই থাকুন ভালো থাকবেন।।
#RIP #TapasPaul #TapasPal 

Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post. Thanks & Vande Mataram!! Saroop Chattopadhyay.

Tuesday, February 18, 2020

২০২০ এর নির্বাচনে দিল্লিতে আপের জয় এর সঙ্গে বাংলায় তৃণমূলে প্রশান্ত কিশোর এর প্রভাব এবং ২০২১ এর বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের পরিণাম নিয়ে আগাম ও বাংলায় বিজেপি ও তৃণমূলের ত্রুটিগুলির পর্যালোচনা।।

অনেকেই প্রশান্ত কিশোর (PK) কে আপের দিল্লী জয়ের কারিগর বলেছেন আর ভাবছেন বাংলায় ও তাই হবে, কিন্তু প্রশান্ত কিশোর আপের দায়িত্বে খুব কমদিন কাজ করেছেন... অথচ তার আগেই কেজিওয়াল জী ৩৭০ ধারা কে সমর্থন করেছেন, রাজ্যের উন্ময়নের জন্য কেন্দ্রের বৈঠক বর্জন করেননি, কোনোদিন সংখ্যালঘু তোষণ করেননি।

এছাড়া পঃবঙ্গে সারদা/নারদা, কাটমানির পরিপেক্ষিতে জল ট্যাঙ্কির ভাঙ্গন, কথায় কথায় রাজ্যের সর্ব্বোচ্চ পদাধিকারী রাজ্যপালকে বিভিন্ন অছিলায় অপমান, যা কেজরিওয়াল করেনি বাংলায় হচ্ছে, কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোর নাম বদলে নিজেদের মত করা, যা কেজরী করেনি।


আরেকটা
ব্যাপার হল,
আপের সমর্থকদের আর সোশ্যাল মিডিয়া এর লোকেদের বিজেপির ভক্ত ও অধুনা তৃণমূলীদের মত গালাগালি বা ব্যক্তিগত আক্রমণ ও হেয় করার মানসিকতা কোনোদিন ছিলনা বা নেই।

বর্তমানের বাংলা কিন্তু জানে তারা যে তাপসী মালিক/রিজানূর রহমানকে ইস্যু করে ক্ষমতায় বসেছিল তাদের পরিবারও মনেপ্রানে মর্মাহত। এগুলো কেজরিওয়ালের ক্ষেত্রে হয় নি।

কেজরওয়ালজী এর লেভেল কিন্তু একটা শিক্ষিত মার্জিত, সৎ রাজনৈতিক হিসেবে। অথচ একসময়ের "সততার প্রতীক" লেখাটা বর্তমানে আর দেখা যায়না।

মুখে জয় বাংলা বলে কাজে জয় বিহারী চলছে। পক্ষ আর সম্মেলন গড়েও তৃণমূলীরা তাদের উক্তি অনুযায়ী সেই "গুটখাখোর" দের ই কথায় চলছেন?

PK আসার পরও "ক্যা ক্যা ছি ছি" হয়েছে আবার আড়াই বছর যিনি courtesy ভুলে গেছিলেন তিনি হঠাৎ কাছাকাছি ও হয়েছেন। রাজ্যপাল বিতর্ক চলছে, দেশের সব রাজ্যগুলির জন্য কেন্দ্রের ডাকা বৈঠক ও এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এগুলো দেখে কিন্তু দিদি পুরোপুরি PK এর কথায় চলছেন কিনা সন্দেহ হচ্ছে।

সবচেয়ে বড়কথা দিদি পশ্চিমবাংলায় এসেছিলেন নিজের ক্যারিস্মায়,কিন্তু সমাজের কাছে  বিশ্বাস হারিয়ে পরিস্থিতি এতটাই জটিল করে ফেলেছেন যে ভোটে জিততে নিজের ক্যারিস্মাকে বিসর্জন দিয়ে পন্যসামগ্রীর মত রাজনৈতিক গুরু কিনতেও বাধ্য হয়েছে, তাও বিহারী গুরু।
এর অর্থ দিদির বুদ্ধি বা ওনার দলের বক্সি, পার্থ, অরূপ, ববি, অভিষেক, ডেরেক ইত্যাদির বুদ্ধি আর কাজ করছেনা।

সংখ্যালুদের (মানে দুধ দেওয়া গরুদের, যারা কোনোদিন মালদা বহরমপুর, দিনাজপুরে দুধ দেননি) তোষণ ও তাদের অপরাধ মাফ করে দেয়া, তাদের এলাকায় আইনের শাসন লাগু না করা ইত্যাদি চলছে।

দিদি যদি রাজদন্ড নিয়ে বাংলায় আপনি হিন্দু-মুসলমানকে সমান চোখে দেখেন পরিস্থিতির জটিলতা কমবে নচেৎ সারা বাংলায় একদিন ভীষণ ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে।

আর একটি কথা কাটমানির জন্য একই রাস্তা সারাবছর ধরে খোড়ার রেওয়াজ বন্ধ করতে হবে।

যদিও এত আগে কোনো নির্বাচন সম্পর্কে ভবিষ্যতবাণী করা দুষ্কর তবু আমার মতে, এইসব সত্বেও বর্তমানের পরিস্থিতি অনুযায়ী (যদি একই পরিস্থিতি থাকে) ২০২১ এ আবার তৃণমূল আসতে চলেছে যদিও তাদের আসন ১৭৫ (+/- ১০%) মত থাকবে বলেই মনে হচ্ছে ।।

কারণ এখানে আসামের "NRC & Detention Camp" এর স্মৃতি ও দিল্লির মত বাংলার বিজেপি দের নেতাদেরও অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস, কুকথা, হুমকি, অবাঙালিদের প্রাধান্য ইত্যাদি সাধারণ বাঙালিদের মনে খুব বাজে প্রভাব ফেলেছে।।

এখন দেখার আগামী একবছরে তৃণমূল ও বিজেপি নিজেদের কতটা শোধরাতে পারে ও বাংলার মানুষকে কতটা নিজেদের কাছে টানতে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল দিল্লিতে যেমন কংগ্রেস ও বামেদের ভোট শেয়ার নগণ্য ছিল বাংলায় কিন্তু তেমনটি হাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।


Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections.
Also if you have any remarks please feel free to post.
Thanks, Jai Hind.. Vande Mataram!! Saroop Chattopadhyay.

Some recent posts

ভগবান রামচন্দ্র (রঘুবীর) ও ঠাকুর শ্রী রামকষ্ণ পরমহংস দেব, আর বর্তমানের সেক্যুলার (আসলে সিক কুলার) গণ।

শ্রীরামকৃষ্ণের কুলদেবতা ছিলেন ৺রঘুবীর। তিনি নিজে  দেবতার কবচ পরতেন, তাঁর পার্থিব শরীর পঞ্চভূতে লয় হওয়ার পরবর্তী সময়ে শ্রীমা সেই পবিত্র কব...